শিরোনাম :
এলাকার উন্নয়নে আমার প্রিয় নেতা কাজ করে যাচ্ছেন, ব্রাক্ষণপাড়া-বুড়িচং উপজেলায় মাদক-কিশোর গ্যাং নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন, অভিযান চলমান: এ কে এম সাইফুল ইসলাম টিপু মা*মলা-হা*মলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন…
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ন

মবের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হাছিনা ইসলামকে দা*য়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ

প্রকাশকাল : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

মবের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখোলা বালিকা বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে বিদ্যালয়টির বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে স্কুলের সীমানায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। এ-সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশের ফলে হাছিনা ইসলাম বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

আদালত এদিন বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলামকে তলব করেন এবং হাছিনা ইসলামকে মবের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় তার ভূমিকার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান।

আদালতে দেওয়া তার ব্যাখ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর কথা বলেন হাইকোর্ট। পরে আমিনুল ইসলাম আদালতের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাকে স্কুলের সীমানায় প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

*যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

২০২৫ সালের ৩১ মার্চ কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বেড়াখোলা বালিকা বিদ্যালয়ে ঢুকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাছিনা ইসলামকে মারধর ও লাথি মেরে চেয়ার থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ সময় বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর এবং টাকা ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র লুটপাটের অভিযোগও করা হয়।

ওই ঘটনায় বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম সুজন ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। বিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে বলে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে আসে।

পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ, বরখাস্ত এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এ নিয়ে বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম হাইকোর্টে রিট করেন। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোও এ ঘটনায় বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেয়।

রিটের প্রাথমিক শুনানি ও পরবর্তী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার হাইকোর্ট হাছিনা ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আমিনুল ইসলামকে বিদ্যালয়ের সীমানায় প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;