শিরোনাম :
মামলা-হামলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান-সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ২নং উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১নং কালীর বাজার পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নাঈম
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন

কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল

প্রকাশকাল : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম (১৩) হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান।

চার্জশীটে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় অপ্রতীমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ, কামরুল হাসান ও সিয়ামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। চারজন পরিকল্পনা করে। তাদের মধ্যে সিয়াম ছাড়া বাকি তিনজন হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণ করে।

পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতীমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে যায় তুহিন। সেখানে অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়। এ নিয়ে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তুহিন প্রথমে এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতীমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার মোবাইল ফোন নিয়ে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় সিয়াম নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছিল। তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাইয়ের কথা তদন্তের বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত অপ্রতীম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার মোবাইল ফোন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;