শিরোনাম :
এলাকার উন্নয়নে আমার প্রিয় নেতা কাজ করে যাচ্ছেন, ব্রাক্ষণপাড়া-বুড়িচং উপজেলায় মাদক-কিশোর গ্যাং নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন, অভিযান চলমান: এ কে এম সাইফুল ইসলাম টিপু মা*মলা-হা*মলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন…
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

সন্তান বিক্রি-করে আইফোন কিনলেন বাবা

প্রকাশকাল : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

পটুয়াখালীর দশমিনায় দেড় বছরের এক ছেলে সন্তানকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে দিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বাবার বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, সন্তানকে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে পাওয়া টাকা নিয়ে ঢাকায় গিয়ে পুরনো আইফোন পরিবর্তন করে নতুন আইফোন কিনেছেন ওই বাবা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বাবার নাম মো. মারুফ। তিনি ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় কাঠমিস্ত্রি। ঘটনার পর থেকে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমকে দিয়ে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে নেন এবং বাজারে যাওয়ার কথা বলে তাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তারা ফিরে না আসায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে মারুফ জানান, দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে শিশুটিকে দিয়ে দিয়েছেন এবং বিনিময়ে এক লাখ টাকা নিয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, ওই টাকা নিয়েই মারুফ ঢাকায় গিয়ে পুরনো আইফোন বদলে নতুন আইফোন কেনেন।

শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, প্রায় চার বছর আগে মারুফ সাভারে বৃষ্টি নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে প্রায় তিন বছর পর মুসার জন্ম হয়। প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক বিরোধের জেরে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর মারুফও ঢাকায় চলে আসে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন।

মাহফুজা বেগম আরও বলেন, শনিবার সকালে মারুফ আমাকে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে দিতে বলে। সে বলেছিল, মুসাকে নিয়ে বাজারে যাবে। পরে অনেক সময় পার হলেও তারা ফিরে আসেনি। খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি, নাতিকে অন্যের কাছে দিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি আমার নাতিকে ফিরে পেতে চাই।

শিশুটিকে নিজের কাছে রাখা ইমরান হোসেন বলেন, মারুফ আগে থেকেই তার কাছে শিশুটিকে দেয়ার কথা বলে আসছিল। তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই। এ কারণে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই শিশুটিকে তার কাছে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে শিশুটিকে দেয়ার ঘটনায় টাকা লেনদেন হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, শিশুটির বাবা তাকে চরকাজল এলাকার যার কাছে রেখে গেছেন, সেখান থেকে উদ্ধারের কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে শিশুটির বাবাকে ঢাকা থেকে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, এখানে টাকা-পয়সা লেনদেন হয়েছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। কারণ শিশুটির বাবা-মায়ের মধ্যে ভালো সম্পর্ক নেই। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;