শিরোনাম :
এলাকার উন্নয়নে আমার প্রিয় নেতা কাজ করে যাচ্ছেন, ব্রাক্ষণপাড়া-বুড়িচং উপজেলায় মাদক-কিশোর গ্যাং নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন, অভিযান চলমান: এ কে এম সাইফুল ইসলাম টিপু মা*মলা-হা*মলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন…
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন

এটা কীসের সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে নারীর ক্ষো*ভ

প্রকাশকাল : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা ও পরিবেশ নিয়ে রোগীদের নানা অভিযোগে কঠোর নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। তার সামনেই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন রোগীরা।

আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে সার্জারি, বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। রোগীদের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি ও হাসপাতালের কার্যক্রমের খোঁজ নেন। এ সময় ডিউটিতে অনুপস্থিত থাকায় রিগান হোসেন নামে এক ফার্মাসিস্টকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দেন তিনি।

এ সময় এক শিশুর মা হাসপাতালের সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এটা কিসের সরকারি হাসপাতাল? বেসরকারি বলে দিলেই হয়।

ওই নারী স্যালাইনসহ ওষুধপত্র বাইরে থেকে কিনে নিয়ে আসতে হয় বলেও জানান। একই সঙ্গে বলেন, ৭ দিন ভর্তি থাকলেও শয্যা পাননি তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোগী ও স্বজনদের অভিযোগগুলো আমলে নেন। পাশাপাশি হাসপাতালটির চিকিৎসক সংকট ও জনবল সংকট, নোংরা পরিবেশ এবং রোগীদের নানা অভিযোগীরে প্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম সহ্য করা হবে না। হাসপাতালের সেবার মান দ্রুত উন্নত করতে এবং দালাল চক্র উচ্ছেদে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী তিন সপ্তাহ পর সারাদেশে আবারও হাম প্রতিরোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন হবে। শিশুদের টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, হাম প্রতিরোধে মায়েদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। শিশুদের শালদুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করতে হবে। শিশুদের টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল হক সরকারসহ অন্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;