শিরোনাম :
এলাকার উন্নয়নে আমার প্রিয় নেতা কাজ করে যাচ্ছেন, ব্রাক্ষণপাড়া-বুড়িচং উপজেলায় মাদক-কিশোর গ্যাং নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছেন, অভিযান চলমান: এ কে এম সাইফুল ইসলাম টিপু মা*মলা-হা*মলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন…
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

নৌকা বেয়ে জীবিকার খোঁজে আজিজার

প্রকাশকাল : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
‎
‎সকালের আলো ফুটতেই ছোট নৌকাটি নিয়ে তিস্তা নদীতে নামেন ৬২ বছর বয়সী কৃষক আজিজার রহমান। নৌকায় থাকে তাঁর একে একে ২০টি ছাগল। নদী পেরিয়ে চরাঞ্চলে পৌঁছে ছাগলগুলোকে ছেড়ে দেন চরে। দিনভর চরেই ঘাস খেয়ে বেড়ায় ছাগলগুলো। বিকেলে আবার নৌকায় তুলে বাড়ির পথ ধরেন আজিজার।
‎
‎রংপুরের গংগাচড়া ইউনিয়নের গান্নারপাড় গ্রামের সমসের আলীর ছেলে আজিজার রহমানের প্রতিদিনের জীবন এখন এমনই। ছাগল পালনই তাঁর পরিবারের জীবিকা নির্বাহের অন্যতম অবলম্বন। নদী পেরিয়ে তিস্তার চরে ছাগল চরানো যেন তাঁর নিত্যদিনের সংগ্রামের অংশ হয়ে গেছে।
‎
‎আজিজার রহমান জানান, একটি এনজিও থেকে পাওয়া ছাগল দিয়ে তাঁর এই যাত্রা শুরু। ধীরে ধীরে ছাগলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। বর্তমানে তাঁর খামারে রয়েছে প্রায় ২০টি ছাগল। এসব ছাগল পালন করেই সংসারের খরচ চালানোর চেষ্টা করছেন তিনি।
‎
‎তিনি বলেন, তিস্তায় চর জেগে ওঠার পর সেখানে ছাগলের খাবারের সংকট কিছুটা কমে যায়। চরে জন্মানো ঘাস ছাগলের জন্য সহজলভ্য হওয়ায় বাড়তি খাবারের খরচও কম লাগে। তাই প্রতিদিন নৌকায় করে ছাগল নিয়ে নদী পার হয়ে চরে যান তিনি।
‎
‎তবে এই কাজ ঝুঁকিমুক্ত নয়। নদীর পানি বাড়লে কিংবা স্রোত বেশি থাকলে ছোট নৌকায় ছাগল পারাপার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তারপরও জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনই নদীতে নামতে হয় তাঁকে।
‎
‎তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা জানান, নদী ও চরকে ঘিরেই এখানকার মানুষের জীবন-জীবিকা। কখনো পানি, কখনো ভাঙন, আবার কখনো জেগে ওঠা চর—প্রকৃতির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়েই জীবিকার পথ খুঁজতে হয় তাঁদের। কৃষিকাজের পাশাপাশি গবাদিপশু পালনও অনেক পরিবারের আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
‎
‎আজিজার রহমানের মতো অনেক কৃষক তিস্তার চরে জেগে ওঠা ঘাস ও খোলা জায়গাকে কাজে লাগিয়ে গবাদিপশু পালন করছেন। তাঁদের কাছে নদী যেমন দুর্ভোগের কারণ, তেমনি চর হয়ে উঠেছে জীবিকার নতুন সম্ভাবনা।
‎
‎একটি ছোট নৌকা, কয়েকটি ছাগল আর তিস্তায় জেগে ওঠা চর—এই সামান্য সম্বল নিয়েই প্রতিদিন নতুন করে জীবনসংগ্রামে নামেন কৃষক আজিজার রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;