শিরোনাম :
মা*মলা-হা*মলা-জুলুমসহ অসহনীয় নির্যাতন সহ্য করার পরও দল ছাড়েননি- মো: খলিলুর রহমান মায়ের সামনেই মেয়েকে গু*লি, হ*ত্যাকা*ণ্ডের লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন মা নড়াইলে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ গ্রে*প্তা*র আসামি নিয়ে ফে*রার পথে এসআই ও বিএনপি নেতা নি*হত ই*য়া*বাসহ সাবেক সেনাসদস্য ও তার স্ত্রী গ্রে*প্তার কুমিল্লায় চা*ঞ্চল্যকর অপ্রতীম হত্যা মা*মলা- আদালতে চার্জশিট দাখিল অনেক কিছু হারানোর পরও, ব্যক্তির ভালোবাসায়, আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ায়নি-খলিলুর রহমান এলাকাবাসীর স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই, তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যক্তি, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান রনি, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… এলাকার মানুষের ভালোবাসায় মো: খোকন মেম্বার, এখন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, ৫নং পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন… শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১নং কালীর বাজার পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তফা কামাল ভূঁইয়া নাঈম
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

সার চাইয়া অপরাধ, অহন রাতে ঘুমামু সেই উপায় নাই

প্রকাশকাল : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অজ্ঞাতনামা আসামি থাকায় গ্রেপ্তার ও হয়রানির আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় সাধারণ কৃষকেরা।

উপজেলার বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের ভূরুঙ্গামারী-সোনাহাট স্থলবন্দর সড়কের শহীদ মোড় এলাকায় গত ৭ সেপ্টেম্বর এক সার ডিলারের গুদামের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কৃষকদের অভিযোগ, চাহিদা অনুযায়ী সার দেওয়া হচ্ছিল না। আবার স্বজনপ্রীতি ও টাকার বিনিময়ে কাউকে কাউকে কয়েক বস্তা করে সার দেওয়া হচ্ছিল। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে কৃষকেরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন।

পুলিশ ও সেখানকার স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ওই দিন সকাল থেকে শহীদ মোড়ের ডিলার পয়েন্টে সার নিতে কয়েক’শ কৃষক জড়ো হন। সার বিতরণে ধীরগতি এবং অনিয়মের অভিযোগ এবং কয়েকজন কৃষক একাধিকবার গিয়েও সার না পাওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে কৃষকেরা বাঁশ ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

খবর পেয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল জব্বার ঘটনাস্থলে গেলে বিক্ষুব্ধ কৃষকদের একাংশ তাঁকে অবরুদ্ধ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন কৃষি কর্মকর্তা বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা করেন।

মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই কৃষক হলেন গনাইয়েরকুটি গ্রামের মৃত সোনা মোল্লার ছেলে আল আমিন মোল্লা ও একই গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে সুরুজ মিয়া।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক কৃষক বলেন, সার নিতে সেদিন প্রায় এক হাজার কৃষক ডিলারের গুদামে উপস্থিত হয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ কৃষকদের সার না দিয়ে পরিচিত ও পছন্দের লোকজনকে বেশি সার দেওয়া হচ্ছিল। কেউ কেউ চার-পাঁচবার গিয়েও সার পাননি। এ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহীদ মোড় এলাকার এক কৃষক বলেন, ‘সারের চাওয়া কি আমাগরে অপরাধ? আমরা তো কাউকে আঘাত করি নাই। সার না পেয়ে রাস্তায় বসে পড়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ মামলা দিয়ে দুইজনকে ধরে নিয়ে গেছে। এহন প্রতি রাতে গ্রামে পুলিশ আহে। সারা দিন রোদে কাজ করি। অজ্ঞাত আসামি করেও ধরে নিয়ে যেতে পারে। অহন রাতে বাসায় ঘুমামু, সেই উপায় নাই।’

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, সার বিতরণে অসহযোগিতা এবং কৃষি কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিরপরাধ কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। কৃষকদের আতঙ্কিত হওয়ারও কোনো কারণ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

;