নিউজ ডেস্ক:
দীর্ঘ দুই বছর পর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে বসলেন মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ৮ নম্বর নহাটা চেয়ারম্যান তৈয়েবুর রহমান তুরাপ। তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা। হাইকোর্টের আদেশে চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিষদের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন তৈয়েবুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মহম্মদপুর উপজেলা সদরে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিশের গুলিতে আহাদ ও সুমন নামের দুই ছাত্র নিহত হন। এ ঘটনায় করা মামলায় তৈয়েবুর রহমান তুরাপকে আসামি করা হলে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তার চেয়ারম্যান পদ স্থগিত করা হয়।
মামলায় জামিন পাওয়ার পর চেয়ারম্যান পদ ফিরে পেতে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনে তার কোনো আইনগত বাধা নেই বলে আদেশ দেন হাইকোর্ট।
হাইকোর্টের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরার সাবেক জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এ-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করেন। এরপর থেকেই তৈয়েবুর রহমান তুরাপ নিজ বাড়িতে থেকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে আদেশ পাওয়ার প্রায় ছয়-সাত মাস পর সোমবার প্রথমবারের মতো তিনি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে গিয়ে অফিস করেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান তৈয়েবুর রহমান তুরাপ বলেন, হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী আমি পুনরায় নহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দীর্ঘদিন পর আজ কার্যালয়ে বসে অফিস করেছি। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হইনি। নির্বিঘ্নেই দায়িত্ব পালন করছি।